ভ্রাতৃত্ব আর এক বোনের আত্মত্যাগ – ৩

**ভাতৃত্বের বন্ধন ও এক বোনের আত্মত্যাগ — পর্ব ৩** লেখক, ধনজয়। শহরের কোলাহল ছেড়ে নয় বন্ধু আর হিরা যখন সমুদ্রের পাড়ে পৌঁছাল, তখন আকাশে হালকা মেঘ। দশ দিনের এই ট্রিপের জন্য তারা একটি বড় ভিলা ভাড়া করেছিল, যার জানলা খুললেই

মা আমি তোমার সব জ্বালা মিটিয়ে দেবো

এ কাহিনি গৃহবধূ অনুলেখা এবং তার ছেলে সবুজ এর। প্রথমেই বলে রাখি বাস্তব কে দুমড়ে মুচড়ে শেষ করা আমার উদ্দেশ্য নয়। এ গল্পে কখনো আমি সবুজ হয়ে উঠবো কখনো তৃতীয় ব্যাক্তি। এ কাহিনি বেশ কয়েক বছর আগের। তখন সবুজের বয়স

টাকার নেশায় মা – ৫

রাত সাড়ে এগারোটা। নাদিম গভীর ঘুমে। চাদরটা তার বুক পর্যন্ত তোলা। নাদিয়া নিজের ঘরে ফোন হাতে বসেছিল। নক এলো। কবিরের মেসেজ— “আপু, তোমার ঘরে ছেলে আছে জানি। কিন্তু আমাদের কিছু নাইট দৃশ্য লাগবে। বাকিটা তুমি বুঝে নাও। সেটার জন্য কর্তৃপক্ষ

টাকার নেশায় মা – ৪

নাদিয়ার ঘুম ভাঙল ভোরের দিকে। ফোনের লাইট জ্বলছিল বালিশের পাশে। কবিরের মেসেজ। “আপা, আজ রহিম যাবে। এবার আমি নিজেও সাথে আছি। কিছু বিশেষ পোশাক নিয়ে যাচ্ছি। প্রথম শুটের পেমেন্ট ২০ হাজার বিকাশে পাঠিয়ে দিলাম। চেক করুন। আজকের শুটটা একটু অন্যরকম

টাকার নেশায় মা – ৩

নাদিয়ার ঘুম ভাঙল ভোরের দিকে। ফোনের লাইট জ্বলছিল বালিশের পাশে। কবিরের মেসেজ। “আপা, আজ রহিম যাবে। এবার আমি নিজেও সাথে আছি। কিছু বিশেষ পোশাক নিয়ে যাচ্ছি। প্রথম শুটের পেমেন্ট ২০ হাজার বিকাশে পাঠিয়ে দিলাম। চেক করুন। আজকের শুটটা একটু অন্যরকম

টাকার নেশায় মা – ২

নাদিয়ার ঘুম ভাঙল ভোর পাঁচটায়। জানালার ফাঁক দিয়ে আলো ঢুকছিল। পাশের ঘরে নাদিম এখনো ঘুমাচ্ছে। শ্বাস-প্রশ্বাসের আওয়াজ ভেসে আসছিল। নাদিয়া উঠে বসল। গতকাল রাতের কথা মনে পড়ল। কবির মেসেজ দিয়েছিল— “আপা, রহিম আজ দুপুরের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছাবে। সে ফটোগ্রাফার।

টাকার নেশায় মা – ১ | মা ছেলের সম্পর্ক

নাদিয়ার বয়স ৩৭। স্বামী বিদেশে প্রায় ছয় বছর। ছেলে নাদিমের বয়স ১৮। কলেজের প্রথম বর্ষে পড়ে। বাড়িতে শুধু তারা দুজন। গ্রামের একপ্রান্তে তাদের বাড়ি। বাইরে থেকে দেখলে সাধারণ গ্রামের বাড়ি মনে হয়—মাটির উঠোন, তালগাছ, বাঁশঝাড়। কিন্তু ভিতরে ঢুকলে অন্য রকম।